লেটেস্ট খবরবিনোদনভাইরাললাইফ স্টাইলঅফবিটরেসিপি

‘বিটেক চাওয়ালী’ সমাজের বাঁকা নজর উপেক্ষা করেই চায়ের দোকান খুললেন কলেজ পড়ুয়া, প্রশংসায় ভারাচ্ছেন নেটিজেনরা

অনেক ছাত্র-ছাত্রীকেই পড়াশুনার খরচ চালানোর জন্য কত কিছুই না করতে হয়। এবার সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হল এমনি এক কাণ্ড। বি-টেক পাঠরত এক ছাত্রী পড়াশোনার পাশাপাশি ...

Published on:

অনেক ছাত্র-ছাত্রীকেই পড়াশুনার খরচ চালানোর জন্য কত কিছুই না করতে হয়। এবার সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হল এমনি এক কাণ্ড। বি-টেক পাঠরত এক ছাত্রী পড়াশোনার পাশাপাশি খরচ চালানোর জন্য খুলেছেন চায়ের দোকান। ছাত্রীর অভিনব এই সাহসী পদক্ষেপের প্রশংসায় পঞ্চমুখ সকলেই। এর পূর্বে ভাইরাল হয়েছিল এমবিএ চাওয়ালা,মডেল চাইওয়ালা বা টপরি চাওয়ালার মতো দোকানের পরেই আবার সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল টপিক হিসাবে আত্মপ্রকাশ ‘বিটেক চাওয়ালী’র। ফরিদাবাদের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রী এই মুহূর্তে সোশ্যাল মিডিয়ায় আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে অবস্থান করছেন।

WhatsApp Group   Join Now
Telegram Group   Join Now

জানা গিয়েছে মেয়েটির প্রকৃত নাম বর্তিকা সিং। বিহারের বাসিন্দা। সোশ্যাল মিডিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম ইনস্টাগ্ৰামে ‘সোয়াগ সে ডক্টর’ নামে পেজে ভিডিওটি পোস্ট করা হয়েছে, ভিডিওটিতে দেখা গেছে বর্তিকা সিং তার চায়ের দোকানের বিশেষত্ব সম্পর্কে বিবরণ দিচ্ছেন নেটিজেনদের উদ্দেশ্যে। বিহারের বাসিন্দা বর্তিকা সিং বর্তমানে বি-টেক কোর্সে পাঠরত ছাত্রী । পড়াশুনার খরচ জোগাড়ের উদ্দেশ্য নিয়েই হরিয়ানার ফরিদাবাদে গ্রিনফিল্ডের কাছে চায়ের দোকান খুলেছেন তিনি। দোকানের নামটিও বিশেষত্ব পূর্ণ তাই নিজেদের নজর কেড়েছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় বর্তিকা সিং ‘বি টেক চাইওয়ালি’ নামেই বেশি পরিচিত।

বর্তিকা সিং জানাচ্ছেন পড়াশোনার জন্য সারাদিন কলেজে থাকতে হয়, কিন্তু এরই মধ্যে অবসর সময়ে অর্থাৎ বিকেল সাড়ে পাঁচটা থেকে রাত ন’টা পর্যন্ত তিনি তার এই দোকানটি চালান। তারপর বাড়ি ফিরেই খাওয়া দাওয়া করেণ এবং রাত্রে পড়াশুনা করেন তিনি ।ফপরের দিন সকালে কলেজ-ক্লাস-টিউশন। এই ভাবেই তিনি প্রতিদিন পড়াশোনার সাথে কাজের সামঞ্জস্য বিধান করেন।

বর্তিকা সিং জানান নিজের ব্যবসা করবার ইচ্ছা তার সবসময়ই ছিল, কিন্তু পড়াশুনার খরচ চালানোর জন্য পড়াশোনা চলাকালীন তাকে ব্যবসা করতে হবে তাও আবার চায়ের ব্যবসা তা তিনি ভাবেন নি। তবে চায়ের ব্যবসা হলেও তা নিয়ে তিনি বিন্দুমাত্র কুন্ঠিত বোধ করেননি, বরং নিজের ব্যবসা বলে তিনি বেশ গর্বিত বোধ করেন।

‘বি টেক চাইওয়ালি’তে বিকেলের শুরুতেই বেশ ভির জমতে শুরু করে, রাত একটু বাড়ার সঙ্গে সঙ্গেই পাল্লা দিয়ে বাড়তে থাকে চেনা-অচেনা মানুষের আনাগোনা। তবে শুধু অভিনব প্রয়াসের কারণেই নয় চায়ের গুণে পঞ্চমুখ তার দোকানে আসা খদ্দেররাও। এই সাহসী পদক্ষেপে তিনি তার পরিবারকে পাশে পেয়েছেন। তার দোকানের সামনে এক কাপ চায়ের জন্য মানুষের ভিড় চোখে দেখতে পাওয়া যায়। এমবিএ চাইওয়ালা’র অনুকরণে নির্মিত এই চায়ের দোকানকে নিয়েই আগামীর স্বপ্নের দিকে এগিয়ে চলেছেন কলেজ পড়ুয়া বর্তিকা সিং।

About Author

Leave a Comment